মৃন্ময় ৪৩

ধরো, তুমি আজ ভুমিষ্ট হলে
তোমার কোন পূর্বজন্ম নেই; জন্মান্তর বলেও কিছু নেই
ধরো এই মুহুর্তটা থেকেই তোমার পথ চলা…
ধরো, তোমার কোন স্মৃতি নেই
শৈশব-কৈশোরের হই-হুল্লোল নেই
ভরা যৌবনের শিহরণ; জলজ সংসারের মায়া নেই
ধরো, শুন্যতার গহীনে আলোর সুতীব্র ক্রন্দনে তোমার বাস
ধরো, তোমার কোন গল্প নেই
ভালবাসার উপকরন নেই
মায়ার আঁচলে জড়ানো নক্ষত্রবিথী; সুতোয় বাঁধা বর্ণিল গৃহকোণ নেই
ধরো, পথের ধারে ল্যাম্পপোষ্টের আলোয় টুকুই তোমার দিশা
ধরো, তোমার বুকে সুগন্ধি মাখানো আদ্রতা নেই
উষ্ণ পরশ, শীতল ছাঁয়া, সুখের মোহনা নেই
উন্মাদনায় হ্নদয়ে পোষা কারো মুখাবয়ব নেই, কারো খোলা চুলের ঝাপটা নেই
ধরো, বিলুপ্তি শেষে বেঁচে থাকার প্রহসনে তুমি বিধ্বস্ত,
তবে চলে এসো আমার হ্নদয়াঙনে
নব সূচনায় সন্মোহিত হয়ে লুটিয়ে পরো আমার দুয়ারে।

মৃন্ময়,
জেনে রেখ, বহু যাতনার পর তোমার কেবল একটাই আমি!
তোমার শুন্যস্থান পুরনে অসহ্য সুন্দর একটি মন নিয়ে
অমর প্রেমের কাব্য রচনায় আমি কৃশবালা; দু’হাত বাড়িয়ে
দ্বিপ্রহরে, রুপনগরে, যুগ যুগ রয়েছি দাড়িয়ে।
মৃন্ময়,
বুকের উপর তুমি বসে আছো ভালবাসার তলোয়ার হাতে!