মৃন্ময় ৩০

অতঃপর,
তোমার অগ্নিমূর্তি ধারণ
কি যে ভীষণ জ্বালা ধরিয়েছিল আমার কম্পিত হৃদয়ে!
তাকাতে পারছিলাম না!
ওই যে,বার বার তোমার প্রশ্নবিদ্ধ চোখের রক্তক্ষরণ
ওই যে বার বার তোমার সংকিত হৃদয়ে আমায় ধারণ
বড্ড বিষাদ লাগছিলো।
হিমাংশু যেমনে তমঃগগনে একলা ঠাঁয় রয় দাঁড়িয়ে
তটিনী যেভাবে ক্ষরায় ফাটে ভাটার বিদায় কালে
বিহঙ্গম যেভাবে নিশিকুঞ্জে ঠাঁই লয় অবহেলিত তরু ডালে,
ঠিক তেমনি আমি কলঙ্কিনী কামিনী ভেসেছিলাম চোখের জলে।
মনে হচ্ছিলো,
এই বুঝি আমার সব শেষ হয়ে এলো
পালিয়ে এলাম; তবু শেষ আর হলোনা!
ধরিত্রীর সংকীর্ণতার মায়াজালে আজো আমি
জল হতে মহীধরে,
কি যে নিদারুণ ব্যথা বয়ে অশ্রুসিক্ত নয়নে এসে দাঁড়াই
সেই তোমার, আমার জীর্ণ শাখী অশ্বথের তলে।